নওগাঁয় চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার; এসআই অবরুদ্ধ

নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর মান্দায় সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন তোফার বাড়ি থেকে ধর্ষণ মামলার এক  আসামিকে আটক করেছে থানা পুলিশ। এ সময় মান্দা থানার উপ-পরিদর্শক আতিউর রহমানকে লাঞ্ছিতসহ অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয় জনতা। পরে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুর রহমান এসে উদ্ধার করেন এসআই আতিউর রহমানকে। শুক্রবার উপজেলার মান্দা সদর ইউনিয়নের সাহাপুর গ্রামে চেয়ারম্যান তোফার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মামলার বাদী বলেন, আসামি রুবেল হোসেন আমাকে বিয়ের প্রলোভোন দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত ধর্ষন করেছে। এখন বিয়ের জন্য চাপ দিলে রুবেল হোসেন আমার সাথে সকল প্রকার যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। নিরুপায় হয়ে আমি মান্দা থানায় তার বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছি। আমি রুবেল হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন তোফা জানান, প্রত্যন্ত গ্রামের এক নারী কৃষ্ণপুর মৎস্যজীবীপাড়ার আলাউদ্দিনের ছেলে রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে মৌখিক অভিযোগ দেন। বিষয়টি মিমাংসা করে দেওয়ার জন্য পিড়াপিড়ি করছিলেন ওই নারী। শুক্রবার মিমাংসার জন্য দুইপক্ষ বাড়িতে আসেন। এ অবস্থায় স্থানীয় ইউপি সদস্য রুস্তম আলীকে ডেকে আনে। দুইপক্ষকে নিয়ে অ্যাপায়ন কক্ষে আলোচনা চলাকালে হঠাৎ করেই সাদা পোষাকে এসআই আতিউর রহমানসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য সেখানে উপস্থিত হন। কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে রুবেল হোসেনকে ধরে নিয়ে যাবার চেষ্টা করেন পুলিশ সদস্যরা। এ সময় বাধা দিলে কয়েকজন নারীকে হেনস্তা করাসহ ওই কক্ষের বেশকিছু আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। সংবাদ পেয়ে স্থানীয় লোকজন এসআই আতিউর রহমানকে লাঞ্ছিত ও অবরুদ্ধ করে রাখেন। মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিম ওই নারী থানায় মামলা করেন। মামলার আসামীকে ধরতে চেয়ারম্যান তোফার বাড়িতে অভিযান দেন এসআই আতিউর রহমান। সেখানে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে।