নিবন্ধনের আওতায় আসবে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারের কাছ থেকে নিবন্ধন নেওয়ার পর ব্যবসা করতে হবে। ইতোমধ্যে নিবন্ধনের একটি ফরম্যাট তৈরি করা হয়েছে। এখন অনলাইনে নিবন্ধন করার ব্যাপারে কাজ করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে তদারকি ও পরিবীক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা এবং কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের অনৈতিক ব্যবসার কারণে যে সকল ভোক্তা প্রতারনার শিকার হয়েছেন, তাদের অধিকার সুরক্ষায় করণীয় নির্ধারণে গঠিত কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠক শেষে তিনি সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য দেন। ১২ অক্টোবর গঠিত এ কমিটির সভাপতি হচ্ছেন এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। সফিকুজ্জামান বলেছেন, আগামী সপ্তাহে আরও একটি বৈঠক হবে। বেঁধে দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী এক মাসের মধ্যেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধনের মধ্যে নিয়ে আসা হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ভোক্তা অধিকার সুরক্ষায় সুপারিশ নির্ধারণ করে পাঠানো হবে। কীভাবে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক লেনদেনের উপর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও আয়করের আওতায় আনা যায়, সে সুপারিশও করা হবে। প্রথমে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ হতে নির্দেশনা আসবে, পরে তা বাস্তবায়ন করা হবে। এসময় তিনি গ্রাহকের অর্থ ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে বলেন, চলে যাওয়া টাকা নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী একাধিকবার বলেছেন। অর্থ-সম্পদ উদ্ধারের পদ্ধতি নিয়ে কমিটির কার্যপত্রে একটা এখতিয়ার দেওয়া আছে। তবে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ নিবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, পুলিশ, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা পরিদপ্তর, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশের বিশেষ শাখা, বিএফআইইউ, এনবিআর, জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন।