‘আবার চেয়ারম্যান হবি মতিন,হামরা ভোট দিমু’ 

নিজস্ব প্রতিবেদক : হামাকেরে মতিন যকন পোরথম ভোটত আসলো তখন সগগুলি সাতে থাকচে, ভোট চাচে, ভোট দিচে, চেয়ারম্যান বানাচে। মে-লাগুলো চেয়ারম্যান তো দেকচি, একবার না-হয় মতিনেক দেকি, এডে ভাবেই ভোট দিচি। মতিন ছোলডা চেয়ারম্যান হবার পর এই কয়বচর মে-লাগুলো কাম করচে। হামাকেরে মন ভরে গেচে। হামাকেরে উপকার করচে। যকন ডাকচি কাচে পাচি, সব গেরামেত রাস্তা হচে, আর কাদো রাস্তা নাই। ভালো ছোলডা আবার চেয়ারম্যান হোক। আবার চেয়ারম্যান হবি মতিন, হামরা ভোট দিমু।
রোববার (২১ নভেম্বর) দুপুরে কথাগুলো বলছিলেন এক বৃদ্ধ। বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ৪ নং থালতা-মাঝগ্রাম ইউনিয়নের ‘আসন্ন নির্বাচনে কেমন প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন’ প্রশ্নে নিমাইদিঘী এলাকার ওই বৃদ্ধ ভোটার সংবাদকর্মীদের কাছে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনের প্রশংসা করতে থাকেন।
থালতা-মাঝগ্রাম ইউনিয়নের গুলিয়া এলাকার কয়েকজন যুবক ভোটার বলেন, মতিন চেয়ারম্যান অনেক উন্নয়ন কাজ করেছেন। তিনি যে গ্রামের উন্নয়ন করেছেন, সেই গ্রামের জনগণকে সঙ্গে নিয়েই উন্নয়নকাজ তদারকি করেছেন। প্রশ্ন বা অভিযোগ তোলার সুযোগ রাখেননি। স্কুল থেকে শুরু করে সব গ্রামের কাঁচা রাস্তায় ইট সোলিং করে দিয়েছেন। মতিন চেয়ারম্যানের প্রতি আমরা সন্তুষ্ট।
সোনাকানিয়া বাজারে গিয়ে কথা হয় এক নারী ভোটারের সঙ্গে। তিনি বলেন, চেয়ারম্যান মতিন কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নেই, সব রাজনৈতিক দলের সমর্থকরা তাকে পছন্দ করে। আমরা ভোটাররা চাই এলাকার উন্নয়ন।
জানা গেছে, নন্দীগ্রাম উপজেলার মডেল ইউনিয়ন ৪নং থালতা-মাঝগ্রাম। প্রত্যন্ত গ্রামের রাস্তাঘাট ও ব্রিজ নির্মাণসহ ব্যাপক উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে থালতা-মাঝগ্রাম শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। গ্রামকে শহরে রূপান্তর করতে কাজ করে যাচ্ছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মতিন। ইতোমধ্যে তার প্রচেষ্টা ও কর্মদক্ষতায় প্রতিটি গ্রামে হয়েছে উন্নয়ন।
স্থানীয়দের দাবি, দৃশ্যমান উন্নয়নে আলোকিত থালতা-মাঝগ্রাম ইউনিয়ন। আব্দুল মতিন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ৫ বছরে জনগণের যেকোনো প্রয়োজনে পাশে থেকেছেন। কোনো গ্রামে পারিবারিক বা ব্যক্তির সমস্যার কথা শুনলেই ছুটে যান এবং স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে গভীর রাতে হলেও গ্রামে বসেই সমস্যার সমাধান করেন। এই ইউনিয়নের প্রধান সমস্যা ছিল গ্রামের কাঁচা রাস্তা। প্রতিটি গ্রামের রাস্তায় ইট সোলিং হয়েছে।
রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শহীদ মিনার নির্মাণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষ অবদান, সামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়াসহ অসংখ্য জামে মসজিদ-মাদ্রাসা, মন্দির, স্কুল-কলেজ, ক্রীড়াঙ্গন ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠণের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক আব্দুল মতিন।
মুঠোফোনে বর্তমান চেয়ারম্যান ও আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. আব্দুল মতিন বলেন, আমি জনগণের সঙ্গে পূর্বেও ছিলাম, এখনো আছি, আমৃত্যু জনগণের প্রয়োজনে ছুটে যাব।