‘বঙ্গবন্ধু’ চলচ্চিত্রের শুটিংয়ে ভারত থেকে এলো ভ্যানিটি ভ্যান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কর্মময় জীবনের ওপর বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ প্রযোজনায় চলচ্চিত্র নির্মাণে শুটিংয়ের কাজে ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে দুইটি ভ্যানিটি ভ্যান দেশে এসেছে। মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) বিকালে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে ভ্যানিটি ভ্যান দুইটি বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। পরে সেটি কাস্টমস ও বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ঢাকায় নেওয়া হয়। জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৮ এপ্রিল হায়দ্রাবাদ হাউজে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক হয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এ সময় ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের ওপর একটি চলচ্চিত্র নির্মাণে সম্মত হয় দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি তার বিবৃতিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেছিলেন, তিনি ছিলেন ভারতের একজন অকৃত্রিম বন্ধু এবং একজন উঁচুমানের নেতা। বাংলাদেশের এই জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনে আমরা রাজধানী নয়াদিল্লীর পার্ক স্ট্রীট সড়কটি বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণ করেছি। বাংলাদেশ সৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধুর জীবন, সংগ্রাম ও ভূমিকা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন উপলক্ষে যৌথ প্রযোজনায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর একটি প্রমান্য চিত্র নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সফলভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ায় তিনি শেখ হাসিনার প্রশংসাও করেন। বেনাপোল আমদানি-রপ্তানির সমিতির সহসভাপতি আমনুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বন্ধুত্ব ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এমন একটি যৌথ চলচ্চিত্র বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্ব ও সৌহার্দের সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করবে। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এ এস এন্টার ন্যাশনালের প্রতিনিধি হালিম জানান, ভারত-বাংলাদেশ যৌথভাবে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণে শুটিংয়ের কাজে ব্যবহারের জন্য ভ্যানিটি ভ্যান দুইটি বৈধ ভাবে বন্দর ও কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। আমদানিকারক বাংলাদেশ ন্যাশনাল ফ্লিম ডেভলপমেন্ট করপোরেশন লিমিটেড। রপ্তানিকারক ভারতের ন্যাশনাল ফ্লিম ডেভলপমেন্ট করপোরেশন লিমিটেড। বেনাপোল থেকে ভ্যানিটি ভ্যান দুইটি কাস্টমস ও বন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।