টাঙ্গাইলে সন্ত্রাসী হামলায় আহত শ্রমিক লীগ নেতার মৃত্যু

তিনদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জালড়ে হাসপাতালেই মৃত্যু হলো শ্রমিক লীগ নেতা রেজাউল করিম রেজার। রেজাউলের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের মাতম বিরাজ করছে। খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি স্বজন ও এলাকাবাসীর। বুধবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রেজাউলের মৃত্যু হয়। গত ২১ নভেম্বর শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে গুরুতর আহত করে টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম রেজাকে। পরে তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে রোববার থেকে তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টায় চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রেজাউলের বন্ধু ফারুক তালুকদার এনাম মেডিকেল কলেজ থেকে মুঠোফোনে জানান, রাতেই লাশ টাঙ্গাইলে আনা হবে। বৃহস্পতিবার আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে দাফন করা হবে। রেজাউল শহরের দেওলা এলাকার মো. আজাদ আলমগীরের ছেলে। তার স্ত্রী ও এক মেয়ে রয়েছে। শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হওয়ার আগে তিনি জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ছিলেন। ২০১৪ সালে ফারুক আহমেদ হত্যার বিচারের দাবিতে আমানুর ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন শুরু হয় সেখানে রেজাউল সক্রিয় ছিলেন। তার পারিবারিক সূত্র জানায়, তারা রেজাউলের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। তাই এখনও মামলা দায়ের করা হয়নি। টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা না হলেও তারা রেজাউলের ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে পেরেছেন। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। দ্রুত এসব সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।