বগুড়ার মহাস্থানের এক আলোকিত মানুষের নাম এমপি জিন্নাহ্ আগামী সংসদ নির্বাচনে আবারো দোয়া প্রার্থী

এস আই সুমনঃ স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক মহাস্থান পূর্বপাড়া গ্রামের ঐতিহ্য পরিবারের সন্তান হলেন এমপি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ্। পুর্বপুরুষ থেকে তাদের মহাস্থান এলাকাজুড়েই সম্পদ দৃশ্যমান রয়েছে। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার মর্যাদাপূর্ণ শিরোনাম অর্জন করেছেন। যা সেই সময়ের প্রবীন ব্যক্তিরা এমপির এখনো প্রশংসা করেন। খ্যাতি লাভ করেছেন বীরমুক্তি যোদ্ধার। এমপি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ্ জাতীয় পার্টি বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান৷ ১৯৯০ সালে তিনি শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর ২০০৮ সালে তিনি মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে অল্প ভোটে পরাস্ত হোন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ২০১৪ সালে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হোন। এরপর ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে তিনি আবার জয়লাভ করেন। মহাস্থান এলাকা ঘুরে জানা যায়, এমপি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ একজন সফল রাজনীতিবিদ। তিনি খুবই শান্তপ্রকৃতির মানুষ। কখনো রাগান্বিত মাথায় কিছু করেন না। তার প্রতিক্রিয়া ধীরগতিতে দৃশ্যমান লক্ষ করা যায়। এমপি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ্ একনাগাড়ে জাতীয় পার্টির রাজনীতির প্রেক্ষিতে তিনি আজ সফল রাজনৈতিক নেতা। তবে সমাজের সব মানুষই কিন্তু জনপ্রিয় হতে পারেনা। মনবিজ্ঞানী ডেল কার্নেগী তার ‘প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ’ গ্রন্থে লিখেছেন, জনপ্রিয় হতে হলে মানুষের বিশেষ কয়েকটি গুণ স্বভাবগতভাবে থাকতে হয় বা অর্জন করতে হয়। যেমন, মনোযোগ দিয়ে মানুষের কথা শুনতে হয়, কেবল নিজের বিষয় নিয়ে কথা না বলা, মানুষের সুখ-দুখে অংশগ্রহণ করা, অহেতুক তর্কযুদ্ধে না জড়ানো, গঠনমূলক সমালোচনা করা, অন্যের আশা-আকাঙ্খা পূর্ণ করে দেয়া ইত্যাদি গুণ থাকলে একজন মানুষ জনপ্রিয় হয় কথাগুলো এ জন্যই উপস্থাপন করা, যে আজকে যাকে নিয়ে আলোচনা- সমালোচনা করা হচ্ছে তিনি বগুড়ার-২ শিবগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার সাংসদ শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ্। গণতান্ত্রিক দেশে নানা মতাদর্শের মানুষ থাকবে এটাই স্বাভাবিক। একজন মানুষ সবার কাছে প্রিয় নাও হতে পারে। তবে এমপি জিন্নাহ’র মধ্যে নানা গুণাবলি থাকায় সকল স্তরের মানুষের কাছে হয়ে ওঠেছেন সমান জনপ্রিয়। আসলে ‘মানুষের প্রসংশার কিছু থাকলে তা আমরা এড়িয়ে চলি, আবার তারই নিন্দার কিছু পেলে মুখে খই ফুটাই। আমাদের এলাকার প্রতিবেশী হিসাবে সেই ছোটকাল থেকেই পারিবারিকভাবে এমপি জিন্নাহ’র ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্য পাওয়ার সুযোগ হয়েছে। তাকে দেখে মনে হয় তিনি একজন এলাকার সফল অভিভাবক রাজনীতিবীদ, সমাজ হৈতষী সর্বোপরি একজন সফল স্বার্থক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের প্রতিচ্ছবি এমপি জিন্নাহ। জাতীয় নেতা সবাই হতে পারে না। নিজের যোগ্যতা মেধা প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দিয়ে শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপি শিবগঞ্জ-৩৭ নং নির্বাচনী এলাকা বগুড়া-২ আসন থেকে ২বার নির্বাচিত হয়েছেন। দলমত নির্বিশেষে হয়ে উঠেছেন ঐতিহাসিক মহাস্থান তথা শিবগঞ্জ অঞ্চলের গণমানুষের আস্থা বিশ্বাস আর ভালোবাসার প্রতীক। যা একজন রাজনৈতিক নেতার রাজনৈতিক জীবনে বিরাট সাফল্য। নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের শিক্ষা চিকিৎসা স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আনায়নে কাজ করা। পল্লীবন্ধু হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে কাজ করে যাচ্ছেন বছরের পর বছর মহাস্থানের কৃতি সন্তান শিবগঞ্জ উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ এমপি জিন্নাহ। সোমবার বেলা ১২টায় মহাস্থান মর্নিং স্কুল এ্যান্ড হাইস্কুলে এমপি জিন্নাহ’র কার্যালয়ে একান্ত এক সাক্ষাৎকারে এই সাংসদ সবাইকে ঈদপরবর্তী শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, শিবগঞ্জ নির্বাচনী এলাকার গণমানুষের জীবনমান উন্নয়নে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। কাজ করেছেন নির্বাচনী এলাকায় রাস্তাঘাট, ব্রিজ কালভার্ট, বিদ্যুৎ, স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও এর মান উন্নয়নে। পাশাপাশি পুরাতন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, হাট বাজার, কৃষিকাজ উন্নয়ন। প্রত্যাঞ্চলে রাস্তায় সোলার লাইট স্থাপন। শিবগঞ্জ অঞ্চলে চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক সরকারি হাসপাতালের উন্নয়ন কাজ করেছেন। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ দুঃসময়ে কর্মহীন হাজার হাজার মানুষকে ত্রান সহায়তা করা হয়েছে। বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি নগর হলো মহাস্থানগড়। প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধ আড়াই হাজার বছর পূর্বে এখানে সভ্য জনপদ গড়ে উঠেছিল প্রত্নতাত্ত্বিক ভাবেই তার প্রমাণ মিলেছে। এই প্রত্নতত্ত্ব মহাস্থানগড়ের উন্নয়নমূলক কাজ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছেন উচ্চমহলে। যার ধারাবাহিক ভাবে কাজ চলমান রয়েছে। যা বর্তমানে মহাস্থানগড়ে দেশ-বিদেশের পর্যটক ভ্রমণ পিপাসুকে আকৃষ্ট করেছে। তিনি মহাস্থান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, মাহীসওয়ার ডিগ্রী কলেজের নতুন ভবন, মহাস্থান হাইস্কুল ৪তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণে বিশেষ অবদান রেখেছেন বলে যোগ করেন। মহাস্থান এলাকাবাসীদের শান্তি শৃঙ্খলা নিশ্চিতে তার ভূমিকা দৃশ্যমান বলে জানা গেছে। ব্যক্তি পারিবারিক ও রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এমপি সফলতার্জন করেছেন। হুসাইন শরীফ সঞ্চয় (এবিএম) ও ব্যারিস্টার তাসবীর শরীফ সাম্য নামের তার ২ ছেলেকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন, এলাকাজুড়ে তারা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। রায়নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি বলেন, পর্যটন নগরীর সাজে সজ্জিত বগুড়ার মহাস্থানগড় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু চাহিদার শেষ নেই। আমাদের আরোও অনেক উন্নয়ন চাই যা প্রিয় এই নেতা অবগত আছেন। সরকার বা স্থানীয় এমপির কাছে নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণের দাবি দাওয়া থাকবে এটা একটি উন্নয়ন প্রক্রিয়া। এমপি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এই অঞ্চলের রাজনৈতিক আবহাওয়া, অর্থনীতি, সমাজনীতি কমিউনিটি উন্নয়ন সম্ভাবনা আগামীর কর্ম পরিকল্পনা মাতিয়ে রেখেই কাজ করে যাচ্ছেন।