গাবতলীতে রহিম খুনের ঘটনায় দশ জনের বিরুদ্ধে মামলা গ্রেফতার-১

গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়া গাবতলীর রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের পাঁচকাতুলী চরপাড়া গ্রামে কিস্তির টাকা নিয়ে দুই নারীর বিরোধ মিটাতে গিয়ে ঝগড়ার জের ধরে আব্দুর রহিম (৩২) খুনের ঘটনায় গাবতলী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভিকটিম রহিমের স্ত্রী ফজিলা বেগম বাদী হয়ে ১০জনের নাম উল্লেখসহ ৩/৪জনকে অজ্ঞাত করে এই হত্যা মামলা দায়ের করেন। দায়েরকৃত মামলার এজাহার নামীয় ৩নং আসামী ওয়াহেদ (৩০)কে গ্রেফতার করেছে বগুড়া র‌্যাব-১২। গ্রেফতারকৃত ওয়াহেদ ওই গ্রামের মকু প্রামানিকের ছেলে।
উল্লেখ্য, গত ২৬ জুলাই রামেশ্বরপুর ইউনিয়নের পাঁচকাতুলী চরপাড়া গ্রামে কিস্তির টাকা নিয়ে দুই নারীর বিরোধ মিটাতে গিয়ে আসামীদের সাথে ভিকটিম আব্দুর রহিমের ঝগড়া হয়। এরই জের ধরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে আসামী ও ভিকটিম আব্দুর রহিমের মধ্যে তর্কবিতর্ক হয়। তর্কবিতকের একপর্যায়ে আসামীরা ভিকটিম আব্দুর রহিমের গলায় ধারালো ছুরি দিয়ে একাধিক আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিম রহিমকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টায় মৃত্যু বরণ করে। হত্যার ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে গত ২৭ জুলাই গাবতলী থানায় ১০জনকে আসামী করে একটি মামলা রুজু করে। যার মামলা নং-২৯। হত্যাকান্ডের পর থেকেই র‌্যাব আসামীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে ব্যাপক গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে। এরই ফলশ্রুতিতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২ এর একটি আভিযানিক দল একাধিক অভিযান পরিচালনা করে ২৭ জুলাই রাত সাড়ে ১১টায় মামলার ৩নং আসামী ওয়াহেদকে তার শ্বশুর বাড়ী সোনারায় ইউনিয়নের গজারিয়া থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামী ওয়াহেদ এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য গাবতলী মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়। এ ব্যাপারে গাবতলী মডেল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, গ্রেফতারকৃত ওয়াহেদকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।