এমপি ফারুক চৌধুরীকে জনবিচ্ছিন্ন করা যাবে না

তানোর প্রতিনিধি: এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীকে দলীয় ভাবে হেয় জনবিচ্ছিন্ন এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে কোন ভাবেই যেন মনোনয়ন না পান এজন্য নৌকা বিরোধী হিসেবে পরিচিত জেলার এক চাঁদাবাজ দখলদার কিনারাহীন নেতার ইন্ধনে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তি হীন সংবাদ প্রকাশ করে এক প্রকার বেকায়দায় পড়েছেন তারাই বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। কেননা যে গাড়ি নিয়ে খবর প্রকাশ করা হয়েছে তা এমপির পুত্রের ক্রয়কৃত। অথচ দেশের অন্যতম শীর্ষ এক পত্রিকার হাত লম্বা লেখক যিনি সকল ধরনের মাদক ও চোরাকারবারির অন্যতম মুল হোতা তিনি ও আরেক জন মাদক নিরাময় কেন্দ্রে থাকা দুই জনের লম্বা হাতে এমন হাস্যকর খবর প্রকাশ করে নিজেরাই তোপের মুখে পড়েছেন। আর তিনিই এমপির বিরুদ্ধে লিখেছেন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর গাড়ী এমপি ফারুকের কাছে। এ ধরনের খবর প্রকাশ করেছেন তাদের স্যালুট জানিয়ে বলতে চাই আপনারা এত টাকার বা সম্পদের মালিক হলেন কি ভাবে,জানতে চায় জনসাধারণ। একজন ছিল মাদক নিরাময় কেন্দ্রে অন্যজন আরেক শীর্ষ পত্রিকায় কাজ করা অবস্থায় নানা ধরনের অপকর্মের জন্য বাদ পড়ে । ফারুক চৌধুরী ফারুক চৌধুরী। তারা বিট্রিশ আমলের জমিদার। আশপাশের জেলা উপজেলায় হাজার হাজার বিঘা জমি অসহায় দরিদ্র কৃষকরা চাষাবাদ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ করছে বিনা পয়সায়। ফলে ফারুক চৌধুরী শুধু একজন এমপি বা নেতা নই, হাজার হাজার মানুষের অন্যদাতা। হ্যা রিজিকের মালিক মহান সৃষ্টি কর্তা। কিন্তু এমপির দ্বারাই তারা ছেলে মেয়ে নিয়ে সুন্দর জীবন যাপন করছেন। ফলে অযথা এসব করে তাকে দুর্বল করা যাবে না। তিনি এমন এক এমপি তার এলাকায় নেই চাঁদাবাজির নেই টেন্ডার বাজি নেই দখল দারিত্ব নেই একক ক্ষমতা নেই মাস্তানি নেই বাহাদুরি নেই সন্ত্রাসী। সুতরাং আপনারা যত লিখবেন তার তত আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা বাড়বে। জানা গেছে, চলতি বছরের ১৩ মার্চ রাজশাহীর নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ে ৩শ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এমপি ফারুক চৌধুরীর একমাত্র ছেলে মাসরুরুল চৌধুরীর নামে এভিডেভিডের মাধ্যমে ১২ লক্ষ টাকায় ক্রয় করেন গাড়ি টি। বিক্রেতা গোদাগাড়ী উপজেলার আব্দুর রহিম। ধরুন আমি গাড়ি বিক্রি করলাম যার কাছে তিনি শুধু এভিডেভিড করলেন, আর কিছুই করলেন না, তাহলে গাড়ি টির মুল মালিক কে। হ্যাঁ যার কাছে বিক্রি করলাম তিনি আগের নম্বর যাবতীয় নিয়ম মেনে নিজের নামে করলে সবকিছুই তার হয়ে যাবে। বিআরটিএ জানান, গাড়ি এভিডেভিডের মাধ্যমে ক্রয় করা যায়। কিন্তু মুল মালিক বিক্রেতা থেকে যায়। নিয়ম অনুযায়ী ক্রেতা বিক্রেতা উভয়কে অফিসে এসে সরকারি নিয়ম মেনে ফি জমা দিলে ক্রেতার নামে যাবতীয় কাগজ হবে। তিনি একটি উধারন দিয়ে বলেন জমি কিনলে মালিক হলেও নিজের নামে খাজনা খারিজ করতে হয়। গাড়ির ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। তবে এত ছোট বিষয় ব্যক্তি আক্রোশের প্রতিফলন। তানোরের এক সিনিয়র সাংবাদিক জানান, যিনি এধরনের খবর লিখেছেন তিনি ৯০ দশকের দিকে তানোরে এসে দু চারশো টাকা করে আদায় এবং প্রয়াত বিএনপির এক নেতার অন্যতম দালাল ছিলেন তিনি। সেটা কে জানেনা। সে মহান পেশার আড়ালে মাদক চোরাকারবারি থেকে শুরু করে রাজশাহী চাপাইনবয়াবগঞ্জ জেলার শীর্ষ সিন্ডিকেট হিসেবে পরিচিত। এখন তিনি প্রচুর সম্পদশালী। তাদের নাম তো তালিকায় থাকেনা। কারন তাদের হাত অনেক লম্বা। এজন্য প্রশাসনও তাদের কিছু বলে না। তিনি আরো জানান, আমি ধরেই নিলাম যার কাছ থেকে গাড়ি কেনা হয়েছে তিনি মাদক কারবারি। তিনি গাড়ি জায়গা জমি বিক্রি করতে চাইলে কেনা যাবে না। তাহলে মাদক কারবারি কে ব্যাংক কিভাবে ঋন দিল। আসলে এসব কিছুই না এমপির যাতে সম্মান হানি বা রাজনৈতিক ভাবে কিভাবে হেয় করা যায় একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে। আরে তাদের ভাবা উচিত জেলা সভাপতির মত পদ ছেড়ে দিয়েছেন। এমপিতো জিরো থেকে হিরো হন নি। তারা বিট্রিশ আমলের জমিদার। তিনি ৮০ দশকের দিকে ব্যবসায়ী সফলতার কারনে সিআইপি হয়েছিলেন। তিনি রাজনীতিতে এসে বৃক্ষ রোপণে অবদান রাখার কারনে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছিলেন। সুতরাং এমপি কেমন তার কি আছে, তিনি দলে আসার পর দলকে কিভাবে সাজিয়ে বিএনপির ঘাটিকে তছনছ করে দিয়েছেন সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ভালো ভাবেই জানেন। গতকাল ওই খবরটি তানোরের সীমান্তবর্তী মান্দা উপজেলার এক ইউপি চেয়ারম্যান পড়ে বলেন আমাদের এলাকায় এমপি ফারুক চৌধুরীর শতশত বিঘা জমি রয়েছে। অনেক গরীব অসহায় মানুষেরা চাষাবাদ করেন এবং কোন কিছুই দেওয়া লাগেনা। তাকে নিয়ে এসব খবর ব্যক্তি আক্রোশ ছাড়া কিছুই না বলে আমার মনে হচ্ছে। বাংলাদেশে অনেক ক্ষমতা বানরা জমি দখল করে শোষণ করছেন। অথচ ফারুক চৌধুরী ব্যতিক্রম। এমন মানুষ পাওয়া যাবে না। মানুষ এক শতক জমির জন্য জীবন দিচ্ছেন, অথচ ফারুক চৌধুরীর কোথাই কত বিঘা জমি মানুষে চাষ করছে তিনিও জানেন না বলে আমার মনে হয় । বাগমারার সাবেক চেয়ারম্যান, গত কয়েকদিন আগে এক আলাপ চারিতায় তিনি এমপিকে জানান আমাদের এলাকায় আপনাদের অনেক জমি আছে। তখন এমপি তাকে বলেন শুধু তোমাদের এলাকায় না রাজশাহী, নওগাঁ ও চাপাইনবয়াবগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলায় কত জমি আছে আমিও বলতে পারব না। তবে মাঝে মাঝে অনেকে মোবাইলে বললে আমি বলি তোমরা যে ভাবে চাষাবাদ করছ করে যাও আর আমার পিতা মাতার জন্য দোয়া কর। গোদাগাড়ী উপজেলার এক বিরোধী দলীয় নেতা জানান, দেশের কোথায় কি হচ্ছে সবাই দেখছে।কিন্তু ব্যতিক্রম এমপি ফারুক চৌধুরীর এলাকায় । আজ তিনি এমপি আছেন বলেেই তার নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাসী, মাস্তানী, টেন্ডার বাজি এসব কিছুই নেই। আমিও খবরটি পড়ে অবাক হলাম এবং হাস্যকার মনে হল। ওই রকম দু চারটি গাড়ী তার থাকেই। যারা তার বিরুদ্ধে এসব করছেন তাদেরকে অনুরোধ করে বলতে চায়, ব্যক্তি আক্রোশে কিছু না করায় ভালো। এমপির তানোর পৌর এলাকার কাশেম বাজারে কোটি কোটি টাকা মুল্যের জমি ছিল, সেটা তিনি দান করেছেন এবং সেখানে কারিগরি কলেজ নির্মাণ হচ্ছে। যা শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রচুর অবদান রাখবে। ওই সময় শুনেছিলাম গোদাগাড়ীতে ওই প্রতিষ্ঠান করার জন্য অনেক কিছুর অফার পেয়েও এমপি তার নিজের জায়গা দিয়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সুচনা সৃষ্টি হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।