সোনাতলায় পুর্ব শক্রুতার জেরে মারপিটঃ-থানায় মামলা

বগুড়া সোনাতলা উপজেলায় পুর্ব শক্রুতার জের ধরে ব্যাপক মারপিট করে ৩জনকে গুরুতর আহত করার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার নওদাবগা পুর্বপাড়া গ্রামে। এ ঘটনায় বাদি হয়ে ৭ জনের নামে সোনাতলা থানায় মামলা দায়ের করেছেন উক্ত গ্রামের মৃত রেজাউল করিম লটোর পুত্র মো. শিপন মিয়া। মামলা সুত্রে জানা যায় গত ২৮/০৭/২২ইং তারিখ আনুমানিক সকাল ১০.৩০ টার দিকে একই গ্রামের কুরানু খন্দকারের পুত্র হেলাল খন্দকার(২৭), বেলাল খন্দকার(৩০), কুরানু খন্দকারের স্ত্রী সালেহা বেগম(৫৮), বেলাল খন্দকারের স্ত্রী টুনি বেগম(২৮), মঞ্জু মাস্টারের স্ত্রী হাসিনা বেগম, চড়পাড়া গ্রামের তফিজ উদ্দিনের পুত্র মুঞ্জু মাস্টার এবং গাবতলী উপজেলার তেলিহাটা গ্রামের কুরানু খন্দকারের পুত্র শাহীন খন্দকার সহ অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১২ জন পুর্ব শক্রুতার জের ধরে বাশের লাঠি, লোহার রড, ধারালেঅ ছোড়া, পাচা, বটি এবং অন্যান্য ধারালো অস্ত্রে শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বসতবাড়ির উত্তর পার্শে বাদিও দখলীয় বাশ ঝাড়ের ভিতর অনধিকার প্রবেশ করে বাদির আপন বড় ভাই মো. সুলতান মিয়া (৪২) চারা গাছ লাগানো কাজে বাধা প্রদান করে। বাদির বড় ভাই বাধা প্রদানের কারন জানতে চাইলে আসামীরা অতর্কিতভাবে সুলতানের উপর আক্রমন করে বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দারা মারপিট চালাতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা সুলতানকে হত্যার উদ্দেশ্যে পাচা মারে, কিন্তু সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে ডান পায়ের হাটুর নিচে বিদ্ধ হয়ে গুরুতর জখম হয়। যেটি পায়ের একদিকে দিয়ে ঢুকে অন্যদিক দিয়ে বের হয়। তখন বাদির বড় ভাইয়ের ডাক চিৎকারে বাদি শিপন মিয়া ও তার স্ত্রী রাবেয়া এগিয়ে আসলে আসামীরা তাদেরকেও ব্যাপক মারপিট করতে থাকে। একপর্যায়ে আহতদের চিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে আসলে আসামীরা বীরদর্পে এলাকা ত্যাগ করে চলে যায় এবং যাওয়ার সময় তাদেরকে খুন করার হুমকি ধামকি দিয়ে যায়। পরে এলাকার লোকজন আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের এবং পরবর্তীতে বগুড়া শজিমেক এ ভর্র্তি করে দেয়। এ ব্যাপারে তদন্ত অফিসার এস আই মাহমুদুল হাসান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান এই মামলার ২জন আসামীকে গ্রেফতার করে কোর্টে চালান দেওয়া হয়েছে এবং বাকি আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।