বগুড়া জেলা বিএনপির সম্মেলনে সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী হিরা

আসন্ন বগুড়া জেলা বিএনপির সম্মেলনে সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে সকরের নিকট দোয়া প্রার্থী মো. আব্দুল আজিজ হিরা। দীর্ঘ ২০ বছর পর বগুড়া জেলা বিএনপির সম্মেলন হতে যাচ্ছে। সম্মেলন কে ঘিরে দলীয় কার্যালয়সহ শহরের বিভিন্ন এলাকায় বেনার, ফেস্টুন লাগিয়ে দোয়া চাচ্ছেন বিএনপির অনেকেই। তাদের মধ্যে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হিরা।
এই সম্মেলনকে ঘিরে হিরা বলেন, বগুড়া জেলা বিএনপিতে একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ব্যালটের মাধ্যমে আপনার নেতা নির্বাচনের সময় এসেছে। আপনার পরীক্ষিত নেতাদের মধ্যে আগামী দিনে কাকে জেলা বিএনপির নেতৃত্বে বসাবেন। যারা আপনাদের যোগ্য সম্মান দিতে পারবে, আপনাদের কষ্ট, ছোট ছোট স্বপ্ন গুলি দেশ নায়ক তারেক রহমানকে অবহিত করতে পারবে এবং সম্মেলনকে ঘিরে ঐ সকল প্রার্থীরা আপনাদের বাড়িতে যেয়ে আপনাদের স্ত্রী-সন্তানদেরকে তাদের ভোট দিতে প্রার্থনা করবে। তাদের সামনে আমাদের যোগ্যতা ব্যাখ্যা দিতে হবে। তাহলে পরিবার থেকে কর্মী, কর্মী থেকে নেতা, নেতা থেকে ঐক্যতা আর ঐক্যতা থেকে চুড়ান্ত আন্দোলন রুপ প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমি মনে করি।
সম্মেলনকে ঘিরে এটাই আমাদের প্রত্যাশা। রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের আগেই নেতা-কর্মীদের সাংগঠনিক পরিচয় দেয়া দরকার। যাতে করে মরলেও লাশটা নিয়ে এই ফ্যাসিস্টরা টানা হেচড়া না করতে পারে। আমি আপনাদের মতই একজন বিএনপির কর্মী। আমি তৃনমূল থেকে চড়াই উতরায় পার করে এসেছি। দীর্ঘ ২৮ বৎসর রাজনীতির বয়সে সাংগঠনিক সকল দায়িত্ব আমি আমার মেধা, শ্রম সর্বোচ্চটা দিয়ে সংগঠনের কাজ করার চেষ্টা করেছি এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের রোষানলের স্বীকার হয়ে বারবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। আমি সম্মেলনকে প্রানবন্ত ও তৃনমূলের সঙ্গে উপজেলা থেকে জেলা পর্যায়ে একটি জবাব দিহিতা মূলক দায়বদ্ধতার একটি মিলন সূত্র তৈরি করার জন্য মূলত প্রার্থী হয়েছি। আপনারা নির্ধারন করবেন আগামী তিন বৎসর বগুড়াতে কে আপনাদের নেতৃত্ব এবং বগুড়ার জনগনকে সঙ্গে নিয়ে এই ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের চুড়ান্ত বাস্তবায়ন ঘটাতে পারবে।
আব্দুল আজিজ হিরা আরো বলেন, প্রিয় বগুড়াবাসী আপনারা জানেন দেশ এক গভীর সংকটে অতিবাহিত হচ্ছে। এই ক্ষনপলকে দেশ নায়ক তারেক রহমনা তার বক্তব্যে বার বার বলেছেন ঐক্যতা এবং ঐক্যতা। সকল ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে রাজপথে থাকবে হবে এবং রাজপথ দখল করতে হবে। পিছনে জেলখানা সামনে গণতন্ত্রের স্বাধীনতা।
দীর্ঘ দিন পরে হলেও বগুড়া জেলা বিএনপির সম্মেলন হবে উৎসবমুখর পরিবেশে। নিশ্চই এটা জেলার নেতা-কর্মীদের জন্য একটি আনন্দের সংবাদ। আমি মনে করি এটাই মোক্ষম সময় এই আনন্দটাকে শক্তিতে পরিনত করে সম্মেলনকে আন্দোলনে রুপান্তরিত করার। সকলে মিলে এটাই আমাদের করতে হবে। এই বগুড়া শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি। এখান থেকে এই ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে উৎখাত করার দৃঢ় কঠিন মনেবলে পরিনত করে আন্দোলনের চুড়ান্ত বাস্তবায়নে রুপ দিতে হবে। আমি বিশ^াস করি সকল নেতা-কর্মী সাহস মনোবল এবং যোগ্যতা সবই আছে। প্রিয় সহযোদ্ধাগণ-আমি জানি ও বহু প্রমান আছে, আপনারা বাড়ি থেকে বাজারের জন্য বের হোন, মাঝ পথে যখন শুনতে পান দেশ নায়ক তারেক রহমান বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন। আপনারা সেই অবস্থায় জনবল সহকারে বগুড়ায় এসে জেলা বিএনপি বা উপজেলা বিএনপির কমূসূচিকে সফল করেন এবং ঐ বাজারের টাকা খরচ করে শূন্য হাতে বাড়ি ফিরেন। এই যে দলের প্রতি আপনাদের অগাত ভালোবাসা, টান এটাই সবচেয়ে বড় প্রমান। আমি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশ নায়ক তারেক রহমানকে মনে প্রানে ভালোবাসি। আমি বিএনপিকে ভালোবাসি। যতদিন বাঁচবো ততদিন বিএনপির সকল আন্দোলন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়বো।