তরুণ সমাজসেবক হযরত আলীকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় আশেকপুর ইউনিয়নবাসী

আসন্ন বগুড়ার শাজাহানপুরে আশেকপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা হযরত আলীর নাম মাঠে-ঘাটে শোনা যাচ্ছে। আশেকপুর পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা হযরত আলীকে নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীর মধ্যে অনেক খানি প্রত্যাশাও রয়েছে। যা বিভিন্ন সভা-সেমিনারে তার প্রতিফলন হিসেবে লক্ষ্য করা গেছে। তাই আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে হযরত আলীকে দেখতে চায় আশেকপুর ইউনিয়নবাসী।
জানা যায়, দলীয় আদর্শের প্রতি অবিচল ত্যাগ, সংগ্রামী নেতা হিসেবে পরিচিত বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা হযরত আলী। এ বার আশেকপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য প্রার্থী তিনি। তরুন সমাজসেবক ও সবার সুপরিচিত মুখ হযরত আলী। রাজনীতিতে নাম লেখান স্কুল জীবনের শুরুতেই। সেই থেকে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে রাজনীতিতে পেরিয়ে গেছে বেশ কয়েক বছর।
আওয়ামীলীগের প্রবীন রাজনীতিবীদরা বলছেন বছরের পর বছর ধরে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন কাজের ধারার সাথে রয়েছে হযরত আলীর নিবিড় সর্ম্পক। ফলে সাধারণ মানুষ থেকে সকলস্তরের নেতাকর্মীর কাছে প্রাণপ্রিয় নেতা হযরত আলী। যার হৃদয়-আঙিনায় সবটুকু দরদ আর ভালবাসা আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে। যিনি নিজেকে নিঃস্বার্থ ভাবে বিলিয়ে দিয়েছে, তিনি তরুন রাজনীতিবিধ হযরত আলী।
আওয়ামী পরিবারের প্রবীণদের মন জয় করে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগে জায়গা করে নেন তরুণ এই নেতা।
আসন্ন আশেকপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নিজের যোগ্যতা যাচাই ও ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে মাঠে দৌড় ঝাঁপ শুরু করেছেন।
পুরো ইউনিয়ন জুড়ে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তার প্রার্থীতায় উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেছেন। ফলে প্রতিদিন ইউনিয়ন, গ্রামের পর গ্রামের ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে যাচ্ছে। ছুটে চলছেন ইউনিয়নের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। তবে ভোটাররা কর্মঠ ও পরিচ্ছন্ন হিসেবে এ নেতাকে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়।
হযরত আলী বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী যাচাই-বাছাই শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকেই দলীয় মনোনয়ন দিবেন’ বলে আমি বিস্বাস করি। কারণ তৃণমুল নেতাকর্মীরা মনে করছেন, দলের তরুণ নেতাদের মনোনয়ন দেওয়াটা ইতিবাচক। দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি ভোটে লড়াই করবেন এবং বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সে লক্ষে জনগনের সাথে কুশলাদি বিনিময় করছেন।
উল্লেখ্য গত ৮ আগষ্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফিরোজ আলম চেয়ারম্যান মৃত্যু বরণ করলে, ইউনিয়ন পরিষদটি চেয়ারম্যান পদটি শূন্য ঘোষনা করা হয়,নিয়মানুযায়ী চেয়ারম্যানের পদ শূণ্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন দিতে হয়।