বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমাতে অবৈধ সরকার বেছে বেছে নেতাকর্মীদের হত্যা করছে-বাদশা

প্রেস রিলিজ-বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌর মেয়র মোঃ রেজাউল করিম বাদশা বলেছেন, বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ আন্দোলন দমাতে অবৈধ সরকার বেছে বেছে নেতাকর্মীদের হত্যা করছে। সরকারের নির্দেশেই পুলিশ বাঞ্ছারামপুরে ছাত্রদল নেতা নয়নকে গুলি করে হত্যা করেছে। গুম, খুনের সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আবারও ক্ষমতায় টিকে থাকার পায়তারা করছে। কিন্তু বিএনপি তা কোন দিনই হতে দিবে না। ছাত্রদল নেতা নয়ন হত্যার শপথ নিয়ে সব্বোর্চ ত্যাগ শিকার করতে হবে। তাই আগামী দিনে সরকার পতনের আন্দোলনে বিএনপি নেতাকর্মীদের রাজপথে থাকার আহ্বান জানান। মঙ্গলবার বিকালে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সোনারামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি নয়ন মিয়াকে পুলিশ গুলি চালিয়ে হত্যার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বগুড়া জেলা বিএনপি আয়োজিত দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন । বাদশা বলেন, এর আগেও ভোলার নুরে আলম, আব্দুর রহিম, নারায়ণগঞ্জের মো: শাওন প্রধান, মুন্সিগঞ্জের মো: শাওন ও যশোরের আব্দুল আলিমকে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিটি হত্যার জবাব সরকারকে দিতে হবে। তিনি বলেন, কর্তৃত্ববাদী সরকারের মসনদ এখন ভেঙে পড়ার উপক্রম। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দেউলিয়া হয়ে গেছে। সারাদেশের মানুষ প্রতিবাদ বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে। বিএনপি’র সমাবেশে সাধারণ মানুষের ঢল নামছে। ফ্যাসিষ্ট সরকার বুঝতে পেরেছে তারা আর টিকে থাকতে পারবে না। তাই রক্তের হোলি খেলায় মেতে উঠেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, আওয়ামীলীগের দলীয় সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। আগামীতেও দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। তাই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাজপথে যদি আমাদের শরীর থেকে রক্ত দিতে হয়, কারো জীবন দিতে হয়, তার পরেও আন্দোলন করে এই অবৈধ সরকারকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনবো এবং দেশের গণতন্ত্র ও দেশের জনগণের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করবো। বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ উন নবী সালাম, কেএম খায়রুল বাশার ও জাহিদুল ইসলাম হেলাল, জেলা বিএনপি নেতা ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, একেএম আহসানুল তৈয়ব জাকির, লাভলী রহমান, মাফতুন আহম্দে খান রুবেল, শেখ তাহা উদ্দিন নাহিন, মনিরুজ্জামান মনি, শামীমা আকতার পলিন, বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর বিএনপি নেতা এনামুল হক শাহিন, ফরিদুর রহমান ফরিদ, আনিছুর রহমান আনিস, এ্যাডঃ নুরে আলম বাবু, শাহাদৎ হোসেন সনি, এনামুল হক নতুন, এ্যাডঃ সৈয়দ জহুরুল আলম, তোফাজ্জল হোসেন আজাদ, আজিজুর রহমান বিদ্যুৎ, কায়দুজ্জোহা টিপু, আতাউর রহমান, এ্যাডঃ হিরা, আব্দুর রহিম পিন্টু, জেলা যুবদলের আহবায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম, যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আবু হাসান, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রপ্ত সভাপতি সাইদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকী রিগ্যান, জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমা আকতার, জেলা কৃষক দলের আহবায়ক সাইফুল ইসলাম রনি, সদস্য সচিব কাউন্সিলর এনামুল হক সুমন, জেলা মৎস্যজীবী দলের আহবায়ক ময়নুল হক বকুলসহ বিএনপি অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।